দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা বা গুজবে কান না দেওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সরকার।
বুধবার (২২ জুলাই ২০২৬) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানানো হয়। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ও সরকারের মুখপাত্র জানান, দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে।
বর্তমান জ্বালানি মজুতের চিত্র:
সরকারের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে প্রয়োজনীয় জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে:
ডিজেল: ৩১ দিনের মজুত
অকটেন: ৩৬ দিনের মজুত
পেট্রোল: ২৫ দিনের মজুত
জেট ফুয়েল: ২০ দিনের মজুত
ফার্নেস অয়েল: ২৫ দিনের মজুত
আন্তর্জাতিক যুদ্ধ পরিস্থিতি ও গ্যাস সংকট প্রসঙ্গে:
বিশ্ববাজার ও মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিরতা নিয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানায়:
তৈল আমদানির নিরাপদ রুট: বাংলাদেশ সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাক্রান্ত অঞ্চল থেকে সরাসরি পরিশোধিত (রিফাইন্ড) তেল আমদানি করে না। ক্রুড অয়েল আমদানির ক্ষেত্রেও বিকল্প রুট ও উৎসের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
গ্যাসের বিকল্প সমাধান: প্রাকৃতিক গ্যাসে সাময়িক ঘাটতি এবং ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (FSRU) কারিগরি সমস্যা থাকায় পাম্পগুলোতে সাময়িক চাপ তৈরি হয়েছিল। খুব দ্রুতই এই সমস্যার দ্রুত সমাধান করে সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে।
মন্ত্রণালয় থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, দেশে কোনো ধরনের জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা নেই। তাই অযথা আতঙ্কিত না হয়ে এবং গুজবে কান না দিয়ে সবাইকে স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি সংগ্রহের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্যসমূহ