Ticker

6/recent/ticker-posts

ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে পাঠানো মার্কিন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান


 ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যস্থতায় আসা যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশেষ প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাব প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। আঞ্চলিক উত্তেজনা হ্রাস এবং নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনা শুরুর লক্ষ্যে ওয়াশিংটন এই প্রস্তাবটি Baghdad-এর মাধ্যমে Tehran-এর কাছে পাঠায়।

​ইরানি কর্তৃপক্ষের উচ্চপর্যায়ের সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবটিতে বেশ কিছু শর্ত অন্তর্ভুক্ত ছিল যা ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং কৌশলগত স্বার্থের পরিপন্থী। ফলে তেহরান কোনো দ্বিধা ছাড়াই তা ফিরিয়ে দিয়েছে।

​ঘটনার প্রেক্ষাপট ও মূল বিষয়সমূহ:

​ইরাকের মধ্যস্থতা: মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা কমাতে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে এক ধরনের বার্তা বাহক হিসেবে ভূমিকা পালন করছিলেন। তিনি বাগদাদে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের মাধ্যমে এই মার্কিন বার্তাটি ইরানি প্রতিনিধিদের কাছে পৌঁছে দেন।

​প্রস্তাবের বিষয়বস্তু: সূত্রে প্রকাশ, মার্কিন প্রস্তাবটিতে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ, আঞ্চলিক মিত্রদের সমর্থন হ্রাস এবং ওয়াশিংটনের আরোপ করা কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে আলোচনার ইঙ্গিত ছিল।

​ইরানের অবস্থান: ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, অন্যায্য ও একপাক্ষিক কোনো শর্ত মেনে নিয়ে তারা আলোচনায় বসবে না। তেহরান জোর দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রকে আগে সব ধরনের অবৈধ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক আইন সম্মান করতে হবে।

​তেহরানের বার্তা: "যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই কূটনীতি চায়, তবে তাদের হুমকি ও নিষেধাজ্ঞার রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। চাপ প্রয়োগ করে ইরানকে কোনো সমঝোতায় আনা সম্ভব নয়।"

​বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের মাধ্যমে ইরান স্পষ্ট করে দিল যে, কোনো প্রকার তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা সত্ত্বেও তারা নিজেদের মূল দাবিসমূহ থেকে সরে আসবে না। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা কমার আশা আপাতত আরও দীর্ঘায়িত হলো।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ